পুষ্টিবিদ ড. আনোয়ারা একদিন সকালে তার মেয়ে শুভেচ্ছাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গেলেন। শুভেচ্ছা লক্ষ করল, দোকানি রুটি তাওয়ায় না ভেজে বিশেষ ধরনের মাটির চুলার ভিতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে এবং একটু পর ফোলানো রুটি বের করে আনছে। শুভেচ্ছাকে তার মা বললেন, এটা রান্নার একটা পদ্ধতি। তিনি আরও বললেন, খাদ্যকে দেহের গ্রহণ উপযোগী করার জন্যই রান্নার প্রয়োজন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রেস্টুরেন্টে বেকিং পদ্ধতিতে রুটি তৈরি করা হয়েছে। বেকিং পদ্ধতিতে ওভেন এবং বড় চুলায় (তন্দুর) বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর উপরে, নিচে এবং চারদিকে সমানভাবে তাপ প্রয়োগ করা হয়। পাউরুটি, নানরুটি, কেক, বিস্কুট, মাছ, মুরগি ওভেনে সম্পূর্ণরূপে বেক করে রান্না করা যায়। ওভেনে খাদ্যসামগ্রী অনুযায়ী তাপমাত্রা ও সময় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আছে। বেকিং পদ্ধতিতে তৈরিকৃত খাবার, অত্যন্ত সুস্বাদু হয় এবং ঘ্রাণ অক্ষুণ্ণ থাকে। এ পদ্ধতির সবচেয়ে সুবিধা হলো খুব সামান্য তেলে খাবার রান্না করা যায়। তাছাড়া ঢেকে রান্না করা হয় বলে এর গুণগত মান থাকে, খাদ্য স্বাস্থ্যসম্মত হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?